Astrology and Horoscope

Astrology Website, Bangladesh

Home Natal Chart Match Daily Monthly Weekly Gem Stone Personal Horoscope Contact
হোম পেজ জন্মকুষ্ঠি প্রেম-বন্ধুত্ব-বিয়ে দৈনিক মাসিক সাপ্তাহিক রাশিফল পাথর ব্যক্তিগত রাশিফল যোগাযোগ

Bangla Font Support

  Email this page to your friend

Now you are at: Home » details

 

 

  

    Cancer (22 Jun - 22 Jul) : How to Recognize     কর্কট (২২ জুন - ২২ জুলাই) : কীভাবে চিনবেন  

The best time to hunt for human crabs is by the light of the silvery Moon. It’s usually easier to recognize them at night, when they’re all dressed up to go dreaming wrapped in vivid imagination. Moonlight becomes them beautifully. It goes with their many moods, and it matches their changing emotions.

You’ll gather lots of clues to the Cancerian nature doing some Moon-gazing on a clear night in the country. It may be hard to see it through the smog in the city, but you can always study an almanac. Notice the Moon’s changing shape and appearance. As it waxes and increases in light, it slowly grows into a perfect, round ball in the sky. When it wanes, it gradually disappears, so there’s nothing visible but a thin silver of light with a faint, silver shimmer.

The Cancerian’s passing moods are synchronized to the Moon, answering to the same mysterious lunar influence that causes the tides of the ocean to flow in and out. Yet, the Moon doesn’t really change at all. It just seems to. Likewise, the Cancerian remains the same person through all his fluctuating highs and lows. Such dependable periodicity – constant in its inconsistency – makes the crab easy to recognize, once you know the phase he’s in when you see him.

You may first come across him when he’s laughing the “crazy lunar laugh.” It’s inescapably contagious. It runs up and down the scales with a deep, throaty undertone. It giggles and gurgles, then finally erupts in a loud cackle that sounds exactly like two hundred hens laying two hundred perfect eggs. In his life-of-the-party mood, you’ll have no trouble finding the Cancerian. He’ll be the funniest one in the room, a laugh a minute. If he’s not performing himself, then he’ll be grinning at someone else’s antics. No one likes a joke better than Cancer, and his funny side is all the more starling when it pops up so incongruously from his normally quiet, gentle personality. Lunar humor runs deep. It’s never shallow or superficial, because it stems from the sensitive observation of human behavior.
>> He’ll be the funniest one in the room, a laugh a minute. If he’s not performing himself, then he’ll be grinning at someone else’s antics. No one likes a joke better than Cancer. <<
Cancer may not wear his lunar laugh every day, but he can always dig it out of his old trunk in the basement at a moment’s notice.

চাঁদ যখন রুপালি আলো বিলায় তখনই মানুষরূপী কাঁকড়াদেরকে খুঁজে পাবার শ্রেষ্ঠ সময়। রাত্রিতে যখন তারা কল্পনার চাদর জড়িয়ে স্বপ্নের মায়াজাল বুনতে শুরু করে তখনই তাদেরকে চিনে নেয়াটা সহজ। চাঁদের আলোও তাদের সাথে চমৎকারভাবে মানিয়ে যায়, যেন এটা তাদের ভিন্ন ভিন্ন মনোভাব আর আবেগের সাথে মিলে মিশে একাকার হয়ে যায়। >> পার্টিতে সেই হবে সবচে মজার। প্রতি মিনিটে একবার করে হাসি। সে যদি নিজেকে তখনও উপস্থাপিত করে না থাকে তবে অন্যদের বিভিন্ন আচার আচরণ নিয়ে সে নিশ্চয়ই হাসা হাসি করবে। অন্য কেউই কর্কটের মতো এতোটা কৌতুকপ্রিয় নয়। <<

গ্রামে কিংবা শহর থেকে দূরে কোন নিরিবিলিতে পরিষ্কার আকাশের নিচে চাঁদের আলো উপভোগ করবার অনেক উদাহরণ দেখবেন কর্কটদের মাঝে।

শহরের দূষিত আবহাওয়ায় এটা খুঁজে পাওয়া কঠিন হলেও আপনি এর প্রমাণ অবশ্যই পাবেন বিভিন্ন প্রবন্ধে। চাঁদের রূপ আর আকারের পরিবর্তনটাই লক্ষ্য করুন। চাঁদ যখন আস্তে আস্তে পরিপূর্ণ হতে শুরু করে তখন তার আলোও বাড়তে থাকে আর সে নিজেও তার পরিপূর্ণতা পেয়ে একটা গোলাকার পিণ্ড হয়ে আকাশে ঝুলে থাকে। আর যখন এটা ক্ষয়ে যেতে থাকে, তখনও ধীরে ধীরে সে বিলীন হয়ে যায়, আর একটা চিকন সরু রুপালি আলোর ক্ষীণ রেখা আর ্লান ঝলক ছাড়া কিছুই অবশিষ্ট থাকে না।

কর্কটদের ভাবাবেগের পরিবর্তনটা যেন চাঁদের পরিবর্তনের সাথে মিলে যায়, আর মনে করিয়ে দেয় গ্রহ নক্ষত্রের প্রভাবে জোয়ার আর ভাটার উদ্ভবের কথা। অবশ্য, চাঁদ কখনই পরিবর্তিত হয় না। শুধু মনে হয় যেন এটা পরিবর্তিত হচ্ছে। তেমনিভাবেই কর্কটও তার বিভিন্ন উত্থান পতনে সেই একই ব্যক্তিই থেকে যায়। কর্কটের পরিবর্তনের এই নির্ভরশীল ধারা, অস্থিরতার মাঝেও অনড়তা - তাকে চিনে নেবার ব্যাপারটাকে সহজ করে তোলে। আপনি যদি বুঝতে পারেন সে কোন অবস্থায় আছে তাহলেই তার ভেতরটাকে দেখতে পাবেন।

আপনি হয়তো তার ঘনিষ্ঠ হয়ে উঠবেন যখন সে তার সেই “পাগলা হাসি” হেসে উঠবে। তার হাসি অদম্যভাবে সংক্রামক। উচ্চ থেকে নিম্ন স্বর এবং আবার নাকী সুরে উচ্চ স্বরে হাস্য। তারপর মৃদু হতে হতে গরগর করে উঠবে এবং অবশেষে এমন একটা শব্দ করে এর শেষ হবে যেন মনে হবে দুশো মুরগি একসাথে দুশো আস্ত ডিম পেরে ফেলেছে। কর্কট যখন পার্টির কেন্দ্র হবার ভাবাবেগে থাকে তখন তাকে চিনে নেয়া আপনার জন্য আরও সহজ। পার্টিতে সেই হবে সবচে মজার। প্রতি মিনিটে একবার করে হাসি। সে যদি নিজেকে তখনও উপস্থাপিত করে না থাকে তবে অন্যদের বিভিন্ন আচার আচরণ নিয়ে সে নিশ্চয়ই হাসা হাসি করবে। অন্য কেউই কর্কটের মতো এতোটা কৌতুকপ্রিয় নয়। আর তার শান্ত, সুবোধ বহিরাবরণ ভেদ করে মজার মানুষটা যদি একবার দুঃসাহসিকভাবে জেগে ওঠে তাহলে তো কথাই নেই। চন্দ্রীয় রসিকতাবোধ সবসময়ই গভীর। এটা কখনই সস্তা কিংবা অতিরঞ্জিত নয়, কেননা মানুষের আচরণের সূক্ষ্মতম পর্যবেক্ষণ করে তবেই এই রসিকতা তারা করে। কর্কট যে সবসময়ই তার সেই পাগলা হাসি হেসে উঠবে এমন নয়, তবে মুহূর্তের কার্যকারণেও তার এই হাসির উদ্ভব হতে পারে।

কর্কট কীভাবে চিনবেন, আরও... :   12345678910

Last Update: August 14, 2013 10:40:26 AM

 

ডাক্তার, হাসপাতাল, রোগ ও স্বাস্হ্য-তথ্যের জন্য ব্রাউজ করুন

www.MBBSDoctor.com

 

 

Credits   Site Map  © Copyright 2005-2011 : www.rashi12.com